প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে আবারো আলোচনায় আসার অনুরোধ জানিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, হরতাল হরতাল খেলায় সময় ও সম্পদের অপচয় হবে। মানুষের জানমালের ক্ষতি হবে, হরতালের মাধ্যমে এর চেয়ে বেশি কিছু অর্জন করা যাবে না।
হরতালে গাড়ী ভাঙচুর, আগুন, জানমালের ক্ষতি, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে বলেও বিরোধী দলকে হুঁশিয়ার করেন তিনি।
সংবিধান পাশ হওয়ার পরও আলোচনার সুযোগ রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আলোচনা ছাড়া এর সমাধান হবে না। যেখানে আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়, সেখানে সংঘাত অনিবার্য। আলোচনার দ্বার এখনো খোলা আছে। বাংলাদেশের মানুষ সংঘাত চায় না। আমরাও সংঘাত চাই না। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সব বিষয়ে সমাধান চাই।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম রোববার পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে জন্ম নিবন্ধন দিবস ২০১১ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে বিরোধী দলের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল সম্পর্কে প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপির হরতাল ডাকার কোনো প্রয়োজন ছিলো না। যে কোনো বিষয়ে আলোচনার জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত। বিরোধী দলকে অনুরোধ করবো হরতালের পরিকল্পনা বাদ দিয়ে আসুন নির্বাচনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। সুপ্রিম কোর্টের রায় মানতে আমরা বাধ্য।
তিনি বলেন, এখনো অনেকগুলো বিষয় রয়েছে। ভোটার তালিকা, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন হবে। এগুলো কিভাবে হবে আলোচনা করা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীও বিরোধী দলকে তাদের কোনো ফর্মুলা থাকলে সংসদে এসে প্রস্তাব তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, আলোচনা ছাড়া সমাধানের বিকল্প নেই। আলোচনায় আসুন, সংসদে আসুন। ফর্মুলা থাকলে দিন। আলোচনার সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়নি।
তিনি বলেন, হরতাল সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার। তবে হরতাল যোক্তিক কি না সেটা নিজেদের বিবেকের বিষয়। আমরা চাই হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে হবে। শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন করলে সেখানে সংঘাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। কিন্তু গাড়িতে আগুন, জানমালের ক্ষতি করা হলে তা রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। সরকার দায়িত্ব পালন থেকে কোনো ভাবে পিছপা হবে না। সরকার আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য, মানুষের জানমাল রক্ষার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রতিটি রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। একমাত্র স্বাধীনতা অর্জন করেছি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। জাতীয় পরিচয় পত্র, ভোটার আইডি কার্ড, নির্বাচন কমিশন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা কে হবেন এসব আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছিল। আগামীতেও সব বিষয়ের আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে।




Posted on Aug 13, 2011
Thoguht it wouldn’t to give it a shot. I was right.