নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়াকড়ি আরোপের কারণে ছাত্রলীগের ২৭তম জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিতে আসা কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের অধিকাংশই সম্মেলন কেন্দ্রের ভেতর ঢুকতে পারেনি।
রোববার সকাল সোয়া ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলুন উড়িয়ে দু’দিনব্যাপী এ সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, এ সম্মেলনে ২ হাজার ৩শ’র বেশি কাউন্সিলর অংশ নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে ডেলিগেট আছেন হাজার বিশেক। কিন্তু মোবাইল ফোন সঙ্গে থাকায় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা রক্ষায় তাদের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তাই সম্মেলনে যোগ দিতে আসা কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের অর্ধেকেরও বেশি ভেতরে ঢুকতে পারেননি। সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভেতরে অনেক আসন খালি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বাইরে দেখা গেছে নেতা-কর্মীদের ভিড়।
এদিকে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জেলা ও থানা ইউনিটের কর্মীরা তাদের নেতাদের নাম লেখা ব্যানার নিয়ে মিছিল করে সমবেত হয়েছেন ভ্যেনুতে। তাদের শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে ভ্যেনু এলাকা। আশপাশে হরতালের কোন আবহ নেই। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও মন্ত্রীদেল অধিকাংশই ভ্যেনুতে হাজির হয়েছেন।
সম্মেলন কেন্দ্রে পৌঁছেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, বাণিজ্য মন্ত্রী কর্নেল (অব.) ফারুক খান, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবীর নানক, আহম্মদ হোসেন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর ব্যাপারী, লিয়াকত সিকদার, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আজম চৌধুরী প্রমুখ।
সম্মেলন কেন্দ্রের সামনের চত্বরে প্যান্ডেল বানিয়ে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে গাড়ি পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় কিছুটা ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।
এদিকে দু’দিনব্যাপী এ সম্মেলনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব-পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন আছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।



