মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের প্রমাণ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে বাদ দেবেন তিনি।
শুক্রবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভার প্রারম্ভিক বক্তৃতায় একথা বলেন তিনি।
সড়ক দুর্ঘটনা এবং বেহাল মহাড়কের জন্য যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের অপসারণের দাবি উঠেছে। এছাড়াও কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন সরকারি দলের নেতারাও।
এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, শহীদ মিনারে অনেকে তোলপাড় করছেন। বক্তৃতা বিবৃতি দিচ্ছেন। তাদেরকে আমি বলবো দুর্নীতি দুর্নীতি না করে কোথায় কখন কীভাবে দুর্নীতি হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ আমাকে দেখাক। কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারলে সে মন্ত্রী থাকবে না। কারো সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে তার প্রমাণ দিতে হবে, শুধু বক্তৃতা বিবৃতি দিলে হবে না।
চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে বিভিন্ন দুর্নীতির দিকে ইঙ্গিত করে এখন যারা সরব, তাদেরও সমালোচনা করেন তিনি।
যারা এখন সরকারের দুর্নীতি নিয়ে এতো কথা বলছেন, তাদের তো অতীতের দুর্নীতি নিয়ে কথা বলতে দেখছি না। দুর্নীতি কীভাবে করা হয় সেগুলো তো আমরা দেখেছি।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, দুর্নীতিবাজদের বিচার অবশ্যই হবে। আন্তর্জাতিকভাবে যারা দুর্নীতিবাজ হিসেবে স্বীকৃত, তাদের বিচার হবে।
মুদ্রা পাচারের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর বিচারের প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন. এখন তাদের (বিরোধী দল) একটাই লক্ষ্য- দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করা। আন্তঃর্জাতিক পর্যায়ে তদন্তের মাধ্যমে তাদের দুর্নীতির বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে। এর জন্য তো বিচার করতেই হবে। ব্যক্তি বিশেষকে তো খাতির করার কিছু নেই।
হাসিনার বক্তব্যের পর রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এতে সভাপতিত্ব করেন।
উপদেষ্টাদের মধ্যে আমির হোসেন আমু, এইচ টি ইমাম, আলাউদ্দিন আহমেদ এই বৈঠকে অংশ নেন। তবে তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল জলিলকে দেখা যায়নি।




Posted on Oct 21, 2011
You rellay saved my skin with this information. Thanks!