জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের আবেদনে সমর্থন জানাতে যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সে দেশের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিরোধীদলীয় এমপি রুশনারা আলী।
বুধবার বিকালে রুশনারাসহ কয়েকজন এমপি ফিলিস্তিনের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের কার্যালয়ে একটি আবেদনপত্র জমা দেন।
যুক্তরাজ্যে এখন ক্ষমতায় রয়েছে রক্ষণশীল দল, রুশনারা বিরোধী লেবার পার্টির হয়ে পার্লামেন্ট প্রতিনিধিত্ব করছেন।
পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্রের মর্যাদা পেতে ফিলিস্তিন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের চলতি অধিবেশনেই আবেদন জানাতে যাচ্ছে। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য এতে ভেটো দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।
যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ ভেটো ক্ষমতার অধিকার নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের যে কোনো একটি রাষ্ট্র বিরোধিতা করলেই ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদ আটকে যাবে।
রুশনারা বলেন, দুই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াই ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বোত্তম সমাধান বলে আন্তর্জাতিক মহল বহু আগেই মেনে নিয়েছে। এখন সময় এসেছে স্বাধীন ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানিয়ে একে স্বীকৃতি দেওয়া এবং ইসরায়েলকেও নিরপদ রাষ্ট্র হিসেবে সমর্থন জানানো।
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়াই এ প্রক্রিয়ায় প্রথম পদক্ষেপ বলে মনে করছেন রুশনারা।
তিনি আরো বলেন, সংঘাতরত দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় ইসরায়েলের রাষ্ট্রগঠনকে কখনোই বাধা হিসেবে মনে করা হয়নি। যারা মনে করেন ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রগঠনও বাধা হবে না, আমিও তাদের সমর্থন করি।
ব্রিটেন ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য মৌলিক মানবিক সহায়তা দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে জানিয়ে রুশনারা বলেন, আমি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকারকে অনুরোধ জানাবো কারণ তারা ফিলিস্তিনের মানুষের মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকার করেছে।
নিরাপত্তা পরিষদে আটকে গেলেও পূর্ণ সদস্য হতে ফিলিস্তিনের আবেদন সাধারণ পরিষদে যদি পাস হয়, তা-ও তাদের দাবিকে একটি বৈধতা দেবে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যায়।
রুশনারা বলেন, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিলে দেশটির সরকার ও জনগণ গণতান্ত্রিকভাবে নিজেদের প্রকাশ করার সুযোগ পাবে। এছাড়া এর ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সদস্য হিসেবে রাষ্ট্রটিকে আরো দায়িত্বশীল আচরণ করতে বাধ্য করবে।




Posted on Oct 20, 2011
I can’t believe I’ve been going for years wthiout knowing that.