ময়মনসিংহ থেকে মনোনেশ দাসঃ
সরকারের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শণ করে বন বিভাগের চারা উত্তোলনে পলি প্রোপাইললিন ব্যাগের পরিবর্তে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক পলিথিন ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন বন বিভাগের একজন কর্মকর্তা৷
এ নিয়ে বন বিভাগের তালিকাভূক্ত ঠিকাদার ও পরিবেশবাদীদের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে৷ ইতিমধ্যে ঐ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বন মন্ত্রী,বন সচিব ও প্রধান বন সংরক্ষক বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ অভিযোগে প্রকাশ, বন মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ রয়েছে চারা উত্তোলনের কাজে শুধুমাত্র পরিবেশ বান্ধব পলি প্রোপাইলিন ব্যাগ ব্যবহার হবে এবং তার গায়ে প্রিন্টিং করে লেখা থাকবে৷
বাংলাদেশ বন বিভাগের বগুড়া সার্কেল সমপ্রতি চারা উত্তোলনের জন্য পলিপ্রোপাইলিন ব্যাগ সরবরাহের জন্য কোটেশন আহবান করে৷ কোটেশনে বগুড়ার পাশাপাশি ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, রংপুর দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ঠিকাদাররা অংশগ্রহন করেন৷
গত ২১ সেপ্টেম্বর রংপুর ও দিনাজপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ১০ লাখ পলিপ্রোপাইল ব্যাগ সরবরাহের জন্য টেন্ডার আহবান করা হলে বগুড়া অঞ্চলের সিএফ মোঃ ফারুক হোসেন তার নিকট আত্নীয়ের প্রতিষ্ঠান মেসার্স বিদু্ত্ এন্টারপ্রাইজকে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ উপেক্ষা করে পলিপ্রোপাইলিনের পরিবর্তে ক্ষতিকারক পলিথিন ব্যাগ সরবরাহের কাজের নির্দেশ দেন৷
এনিয়ে ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে রংপুরের জামতলী মোড়ের মোঃজাকির হোসেন নামের একজন ঠিকাদার বন মন্ত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন৷
২০১০/২০১১ অর্থ বছরেও সরকারী নির্দেশ অমান্য করে ঐ সিএফ উল্লেখিত ঠিকাদারের মাধ্যমে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাবহার করে চারা উত্তোলন করিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে৷ পরিবেশবাদীরা এর প্রতিকার চেয়েছেন৷



