আগামী বছর থেকে প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন সৌদি আরবের নারীরা।
ভোট দেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতারও সুযোগ পাবেন তারা।
সৌদি বাদশাহ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল-আজিজ আল সাউদ রোববার এ ঘোষণা দিয়েছেন।
নারীরা উপদেষ্টা পরিষদ শূরা কাউন্সিল এর আগামী অধিবেশনে পূর্ণ সদস্য হিসাবে যোগ দেওয়া এবং নিয়োগ পাওয়ারও অধিকার পাবে বলে জানান বাদশাহ।
শূরা কাউন্সিল মজলিস ই-শূরার সদস্য সংখ্যা ১৫০ জন। বাদশাহই সবাইকে নিয়োগ দেন। সরকারে পরিষদের ক্ষমতা সীমিত। এককভাবে আইন পাশ কিংবা প্রয়োগ করার ক্ষমতা এ পরিষদের নেই।
বাদশাহ বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার পৌরসভা নির্বাচনের পরে আইনটি কার্যকর হবে। সৌদি আরবে পৌরসভা নির্বাচনই একমাত্র সাধারণ নির্বাচন। আগামী পৌরসভা নির্বাচন হবে আগামী চার বছরের মধ্যে।
রোববার নতুন মেয়াদে শূরা কাউন্সিল শুরুর উদ্বোধনী বক্তব্যে বাদশাহ বলেন, শরিয়াহ মোতাবেক আমরা নারীদেরকে সমাজে অবাঞ্ছিত করে রাখতে চাই না। একারণে শীর্ষ উলেমা ও অন্যান্যদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আগামী মেয়াদের শুরু থেকে শূরা কাউন্সিলে নারীদের অন্তর্ভূক্ত করা হবে।
তিনি আরো বলেন, নারীরা পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে এবং ভোট দিতে পারবে।
সৌদি সরকার সামাজিক এবং রাজনৈতিক সংস্কারে কতটা আন্তরিক তার পরীক্ষা হিসাবেই দেখা হচ্ছে নারীদের এ অধিকারকে।
সৌদি আরবের নারী অধিকার কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরেই নারীদের আরো বেশি অধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। ফলে বাদশাহের এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে তারা।
সৌদি আরবে যেখানে নারীদের গাড়ি চালানো কিংবা একা দেশের বাইরে যাওয়ারই অনুমতি নেই সেখানে দেশের রাজনীতিতে তাদের ভূমিকা রাখার এমন সুযোগ অসাধারণ বলে মন্তব্য করেছেন নারী অধিকানকর্মীরা।
এখন নারীদের গাড়ি চালানো এবং পুরুষ সঙ্গী ছাড়া একা চলাফেরার ওপর বাধা নিষেধও তুলে নেওয়ার সময়, বলেন তারা।




Posted on Oct 20, 2011
I’m impressed! You’ve managed the amslot impossible.