খুলনা থেকে বাবুল আকতার:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদে আজ দুপুরে ঘেরাও কর্মসূচী পালন করছে শিক্ষাথীরা৷ এ সময় ছাত্রীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে রাখে৷
ছাত্রীরা জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মধ্যে গত ৮ অক্টোবর দুপুরে কয়েক জন ছাত্র যন্ত্রকৌশল বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্রীদের অশ্লীল কথা বলে৷
এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষাথীরা গত ১২ অক্টোবর রোকেয়া হলের ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষাথীরা মানবন্ধন কর্মসূচী পালন করে৷
এই কর্মসূচতে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে ৩দিনের আল্টিমেটামের ঘোষনা দেয়া হয়৷ তারা এঘটনায় উপচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন৷ বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা না নিলে আজ দুপুর ২টায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান করে ঘেরাও কর্মসূচী শুরু করে৷
এ সময় কুয়েটের উপচার্য প্রফেসর ড.মুহাম্মদ আলমগীরসহ কয়েকজন শিক্ষক প্রশাসনিক ভবনে ঢুকতে গেলে ছাত্রীদের বাধার মুখে পড়েন৷ তারা ভবনের গেটে তালা লাগিয়ে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে রাখে৷ দোষী ছাত্রদের বহিস্কারের দাবি জানিয়ে শ্লোগান দিতে থাকে অন্দোলনকারীরা৷
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের নিয়ে উপচার্য জরুরী বৈঠকে বসেন ৷
এ বিষয়ে উপচার্য প্রফেসর ড.মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, শিক্ষাথীরা অভিযোগ করার পর গত ১৬ অক্টোবর ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়৷ ঐ কমিটি বিলুপ্ত করে গতকাল ৪ সদস্য বিশিষ্ট পুনরায় আর একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে তিনি জানান৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক এ এন এম এনামুল কবীরকে সভাপতি করে ৩জনকে সদস্য করা হয়৷ এ কমিটিকে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন উপ- উপচার্যের নিকট দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেন কতৃপক্ষ৷
এদিকে ছাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা উপচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ করলেও তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি৷ আমরা কোন উপায় না পেয়ে এ কর্মসূচী দিতে বাধ্য হয়েছি৷
আজ সন্ধ্যা ৬টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কর্মসূচী চলছিল৷



