চাল কুমড়া চাষে ঘুরেছে ভাগ্যের চাকা

Print This Post Email This Post

ময়মনসিংহ থেকে মনোনেশ দাস:

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার  মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছে চাল কুমড়া৷ বিরামপুর গ্রামের চাল কুমড়া চাষী মিরাজ আলী, ফারুক মিয়া,শাখাওয়াত জানালেন, গতবার চাষ করে ভাল করতে পারিনি৷ এবার চাল কুমড়া বিক্রি করে অনেক টাকা পেয়েছি৷

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, কীট নাশক মুক্ত ফলন এবং মাছি পোকার আক্রমণের জন্য ফোরোমন ফাঁদ দেয়া হয়েছিল৷ জৈব কীটনাশক বাইকাউ ব্যবহার করে পরিবেশ দূষনমুক্ত রেখে অধিক পরিমাণে চাল কুমড়ার লাভ জনক ফলন হয়েছে৷

এ বছর ত্রিশালে ১৫০ হেক্টর জমিতে চাল কুমড়ার ফলন হয়েছে৷ হেক্টর প্রতি খরচ হয়েছে ৫০ টাকার মত৷ উত্‍পাদিত হয়েছে ১৫ হাজারেরও অধিক চাল কুমড়া৷ সাকুল্য জমিতে আড়াই কোটি টাকারও অধিক চাল কুমড়া বাজারে বিক্রি হয়েছে৷

গেলো মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের পর চাষীরা অতিরিক্ত আয় হিসাবে পেলেন চাল কুড়া বিক্রির টাকা৷ ডাবল ফলনে এখানকার চাষীরা বেজায় খুশী৷

ত্রিশালের রামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের পুরো এলাকার প্রতি বাড়ির আঙ্গিনা, পুকুর পাড় ও পরিত্যক্ত ভিটার জমিতে চাল কুমড়ায় টই টুম্বুর৷ গাছে গাছে দোল খাচ্ছে চাল কুমড়া৷ ভাল ফলনের পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করেও পাচ্ছেন চাষীরা উপযুক্ত দাম৷ বাজারে চাল কুমড়ার ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা গেছে৷

এখন প্রতিদিনই ট্রাকে ট্রাকে এখানকার চাল কুমড়া ঢাকাসহ দেশ বিদেশে চালান যাচ্ছে৷ খুচরা বাজারে প্রতিটি চাল কুমড়া ১০/১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে৷ তবে মৌসুমের শুরুতে ২০/৩০ টাকায় চাল কুমড়া বিক্রি করেছেন বলে চাষীরা জানান৷

পাঠকের মন্তব্য

বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:

কীবোর্ড Bijoy      UniJoy      Phonetic      English
নাম: *
ই-মেইল: *
মন্তব্য: