সিরিজ নির্ধারণী দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশকে ২২৯ রানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
জয়ের জন্য শেষ দিন বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৩৪৪ রান, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৭ উইকেট।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে করে ২৭৮ রান। ৩ উইকেটে ১৬৪ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে স্বাগতিকরা।
দিনের প্রথম সেশনে ৯৯ রান যোগ করলেও তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমকে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
আগের দিন ৮২ রানে অপরাজিত ছিলেন তমিম। ১ রান যোগ করেই সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। দিনের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে ড্যারেন স্যামি তালুবন্দী করেন তাকে। দলের রান তখন ১৬৮। দেবেন্দ্র বিশুর বলে কাভার ড্রাইভ করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে শেষ হয় তামিমের ইনিংস।
পঞ্চম উইকেটে মুশফিক ও সাকিব ৮৮ রান যোগ করে বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসেন। দুজনই নিজেদের অষ্টম অর্ধশতক তুলে নেন।
অর্ধশতকে পৌঁছার পর সাকিব (৫৫) স্যামির বলে শিবনারায়ন চন্দরপলের হাতে ধরা পড়লে খেলা ফিরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সাকিব তার ৭০ বলের ইনিংসটি সাজান ৭টি চার দিয়ে।
দলীয় ২৫৬ রানে সাকিবের বিদায়ের ৮ রান যোগ করতেই শেষ ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
সাজঘরে ফিরে যান মুশফিক (৬৯), রুবলে হোসেন (৭), নাঈম ইসলাম (৩), নাসির হোসেন (৩) ও সোহরাওয়ার্দী শুভ (০)।
বিশুর বড় টার্নের কাছেই হার মানেন মুশফিক। লাইনে পা নিতে একটু দেরি করায় বোল্ড হয়ে যান তিনি। তার ১০৯ বলের ইনিংসে ৯টি চার রয়েছে।
মধ্যাহ্ন-বিরতি ফিরে আবারো আঘাত হানেন বিশু। তিন বলের মধ্যে ফিরিয়ে দেন নাসির ও শুভকে। ফ্লিপার বুঝতে না পেরে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন নাসির। প্র বল ঠেকিয়ে দিলেও পরের বলেই কাট করতে গিয়ে স্যামিকে ক্যাচ দেন শুভ।
প্রথম প্রচেষ্টায় সহজ ক্যাচ ধরতে না পারলেও কঠিন করে দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় স্যামি বল তালুবন্দী করলে বিদায় নেন শুভ। পরে নাঈমকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে নিজের পঞ্চম উইকেট নেন বিশু। টেস্টে এই প্রথম ৫ উইকেট নিলেন বিশু। এ জন্য তিনি দেন ৯০ রান।
এর আগে ৫ উইকেটে ৩৮৩ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এতে সব মিলিয়ে ৫০৭ রানে এগিয়ে যায় তারা। প্রথম ইনিংসে দলটি এগিয়ে ছিল ১২৪ রানে।
প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে ৩৫৫ রান। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করে ২৩১ রান।



