তিন দিন ব্যাপক দরপতন এবং বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে বুধবার লেনদেন শুরুর পর ৫ মিনিটেই সূচক এক লাফে ২৪২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তা ৩০০ পয়েন্ট ছাড়িয়ে যায়।
লেনদেন শেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৩৩৮ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৯৭৮ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে। গতদিনের তুলনায় সূচক বেড়েছে ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ।
লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৫টির, কমেছে ১০টির। হাতবদল হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার।
দর বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমায় (সার্কিট ব্রেকার) উঠেছে অনেক শেয়ার বিক্রেতাশুন্য হয়ে পড়ে।
সপ্তাহের প্রথম তিন দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ সূচক পড়ে ৫৫৯ পয়েন্ট। মঙ্গলবার লেনদেন শেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ২২৮ দশমিক ২০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৬৪৯ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই ও বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের সামনে রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করে ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা। বাজার স্থিতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ চান তারা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ম. খায়রুল হোসেন বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর, ব্যাংকিং বিভাগের সচিব, এনবিএর চেয়ারম্যান, আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ব্যাংকার্স ও ইন্সুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।
বুধবার লেনদেন শুরুর পর ডিএসই ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছে ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের বৈঠকে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের প্রতিনিধি রাখার দাবি জানিয়েছে তারা।



