খূলনা থেকে বাবুল আকতার: দৈনিক পূর্বাঞ্চলের ষ্টাফ রিপোর্টার আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ কর্মী সাংবাদিক শেখ আইফার রাহমান আর নেই ৷ শুক্রবার সকালে খুলনা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে —— রাজেউন )৷
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০বছর ৷ তিনি ২ কন্যা, স্ত্রী সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন৷ ক্যান্সারে আক্রান্ত সাংবাদিক আইফার রাহমান ইতোপূর্বে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা নিয়ে ভারতে গিয়ে চিকিত্সা করিয়ে আসেন৷
পরে চিকিত্সার জন্য তিনি ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালের একজন চিকিত্সকের তত্ত্বাবধানে থাকেন৷ এক পর্যায়ে অর্থের অভাবে তিনি খুলনায় চলে আসতে বাধ্য হন৷ এ ভাবে বিনা চিকিত্সায় পড়ে থাকে নগরীর ৩৯/১ নম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ রোডস্থ বাসভবনে৷
শুক্রবার ভোরে তার অবস্থার অবনতি হলে নগরীর সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়৷ সকাল সাড়ে ১১টায় তিনি ক্লিনিকে মারা যান৷ সন্ধ্যায় খুলনা শহীদ হাদিস পার্কে নামাজে যানাজা শেষে বসুপাড়া কবর স্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয় ৷
মৃত্যুর খবর শুনে সাংবাদি আইফার রহমানের বাসভবনে তাকে দেখতে যান খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আঃখালেক, খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হারুনুর রশিদ, সাধারন সম্পাদক মোস্তাফা রশিদী সুজা, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী, সাবেক সাধারন সম্পাদক এস এম জাহিদ হোসেন, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু৷
নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্তপরিবারে প্রতি সমবেদনা জানানন৷
অন্যদিকে মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বেসরকারী টেলিভিশন আরটিভির খুলনা প্রতিনিধি মোঃ বাবুল আকতার, খুলনা প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ এইচ এম আলাউদ্দীন , মাইটিভির খুলনা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, আমার দেশ পত্রিকার রিপোর্টার শেখ লিয়াকত হোসেন, দৈনিক জন্মভূমির রিপোর্টর আমজাদ হোসেন লিটন, অনিবার্নের রিপোর্টার ফকির শহিদুল ইসলাম ৷
নড়াইলে জন্মগ্রহণকারী সাংবাদিক আইফার রাহমান ১৯৭৭ সালে খুলনা সুন্দরবন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি এবং জেলা ছাত্রলীগের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্যদিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন৷
ছাত্রজীবন শেষ করে তিনি ১৯৭৯ থেকে ৮৩ সাল পর্যন্ত খুলনা আঞ্চলিক শ্রমিক লীগের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন৷ ১৯৮৪ সালে খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের কো-অপট সদস্য হিসেবে তিনি আওয়ামীলীগে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ১৯৯২ সালের কাউন্সিল অধিবেশন পর্যন্ত সংগ্রামী ভূমিকা রেখে দায়িত্ব পালন করেন৷
তিনি জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন৷ বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব ছিলেন৷



