জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টে অনিয়মের মামলায় দুই মাসের আগাম জামিন পেয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিচারপতি সৈয়দ মো. দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বেঞ্চে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপাসন। আদালত আট সপ্তাহের জন্য তাকে জামিন দেন।
দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে খালেদা হাইকোর্ট চত্বরে পৌঁছেন। হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে ছিলো বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের ভিড়। অনেকে স্লোগানও দিচ্ছিলো।
২টা ৩৫ মিনিটে ওই বেঞ্চেই শুনানি শুরু হয়ে ২০ মিনিটের মধ্যে জামিনের আদেশ হয়। হাইকোর্টে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক। জামিনের বিরোধিতা করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজউদ্দিন ফকির।
মির্জা আব্বাস, মঈন খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে নিয়েই আদালতে গিয়েছিলেন খালেদা।
আদালতে ছিলেন টিএইচ খান, মওদুদ আহমেদ, মুহাম্মদ জমিরউদ্দিন সরকার, খোন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহবুবউদ্দিন খোকনসহ বিএনপির আইনজীবী নেতারাও।
আদেশ হওয়ার পরপরই হাইকোর্ট চত্বর ছেড়ে বাড়ির পথে রওনা হন খালেদা। যাওয়ার সময় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
প্রায় তিন দশকের রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া এবারই প্রথম হাইকোর্টে কোনো বেঞ্চের সামনে হাজির হলেন। এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে বিচারিক আদালতে হাজির হয়েছিলেন তিনি।
একবার এফিডেভিট করতে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে গিয়েছিলেন বলে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা জানিয়েছেন।



