মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাকের মরদেহ শরীয়তপুরের ডামুড্ডায় তার গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়েছে। সেখানে জানাজার পর বিকেলে ঢাকার বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
দীর্ঘদিন রোগে ভুগে গত শুক্রবার লন্ডনে মৃত্যু হয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য রাজ্জাকের। তার বয়স হয়েছিলো ৬৯ বছর।
রোববার দুপুরে এই মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ লন্ডন থেকে ঢাকায় আনা হয়। জাতীয় সংসদ ভবন এবং জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দুটি জানাজা শেষে তার কফিন নেওয়া হয় শহীদ মিনারে। সেখানে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানায় সর্বস্তরের মানুষ। মরদেহ রাতে রাখা হয় বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে।
আব্দুর রাজ্জাকের ব্যক্তিগত সহকারী হাসানুজ্জামান কল্লোল জানান, সোমবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে এই আওয়ামী লীগের মরদেহ নিয়ে একটি হেলিকপ্টার শরীয়তপুরের ডামুড্ডার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
পূর্ব ডামুড্ডা কলেজ মাঠে হেলিকপ্টার থেকে কফিন নামানোর পর নিয়ে যাওয়া হয় তার বাড়িতে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন স্তারের মানুষ সেখানে তাকে দেখতে আসেন।
শরীয়তপুরের এই এলাকা থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে কখনো হারেননি এই আওয়ামী লীগ নেতা।
কল্লোল বলেন, উপজেলা পরিষদ মাঠে জানাজা ও সবার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিকেলে ঢাকার বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
প্রয়াতের ছেলে নাহিন রাজ্জাক জানান রোববার দুপুর সোয়া ১২টায় মরদেহ বিমান থেকে নামিয়ে সরাসরি নেওয়া হয় তাদের গুলশানের বাসায়। সেখানে রাজ্জাকের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সংসদ ভবনে জানাজার পর পুলিশের একটি দল মুক্তিযুদ্ধের এই সংগঠকের প্রতি রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। এরপর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
মরদেহ দেশে আনার আগে শনিবার লন্ডনেও একটি জানাজা হয়েছিলো আব্দুর রাজ্জাকের।



