ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সীতাকুন্ডের বাঁশবাড়িয়া এলাকায় গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় জামিন পেলেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী।
এর আগে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে সোমবার সকাল সোয়া ১১টায় সাকা চৌধুরীকে চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার আদালতে হাজির করা হয়। একই সঙ্গে এদিন আদালত মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ৭ মার্চ ধার্য করেন।
এসময় আদালত প্রাঙ্গণে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত হন।
উল্লেখ্য, সাকা চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের গুজব তুলে ২০১০ সালের ৭ নভেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিএনপি নেতাকর্মীদের দেওয়া একটি ব্যারিকেড থেকে গণহারে গাড়ি-ভাঙচুর করা হয়। এসময় বেশ কয়েকটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।
দু’দফা সংঘটিত এ নৈরাজ্যের ঘটনায় সীতাকুন্ড থানায় সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও উত্তর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসলাম চৌধুরীসহ অজ্ঞাতপরিচয় লোকজনকে আসামি করে দুটি মামলা দায়ের করা হয়।
সাকা চৌধুরীর আইনজীবী জানান, সীতাকুন্ড থানায় দায়ের হওয়া দুটি মামলায় গত ডিসেম্বর মাসে সাকা চৌধুরীসহ আটজনকে আসামি করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এতে আসলাম চৌধুরীসহ সাত আসামির নাম বাদ দেওয়া হয়।
মামলা দুটি গত ২৩ জানুয়ারি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত থেকে বিচারের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসে। ওইদিনই জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া চার্জশিট দুটি আমলে নেন এবং দুটি মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য পৃথক দু’দিন সময় নির্ধারণ করেন।
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি অপর মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন নির্ধারিত আছে।
এর আগে গত শনিবার বিকেলে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।
২০১০ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রমনা থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় বিএনপির আলোচিত-সমালোচিত নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী গ্রেপ্তার হন। এরপর আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের হওয়া যুদ্ধাপরাধ মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে কারাগারেই আছেন সাকা চৌধুরী।



